fbpx

কিশোর অপরাধ কি? কিশোর অপরাধের কারণ গুলো আলোচনা কর।

প্রশ্নঃ কিশোর অপরাধ কি? কিশোর অপরাধের কারণ গুলো আলোচনা কর। 

অথবা, বাংলাদেশের কিশোররা কি কি কারণে অপরাধের প্রতি ঝুঁকে পড়ছে তা আলোচনা কর।

ভূমিকাঃ সাম্পতিক সময়ের এক ভয়াবহ সমস্যা হলো কিশোর অপরাধ। দ্রুত নগরায়ন ও শিল্পায়নের ফল হলো। কিশোর অপরাধ। শিল্পায়ন ও নগরায়ন প্রক্রিয়ার প্রভাবে। পারিবারিক কাঠামোর ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। যা কিশোর অপরাধ বৃদ্ধির সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করছে। প্রধানত বয়সকে কেন্দ্র করে অপরাধী ও কিশোর অপরাধীর পার্থক্য নির্ণয় করা হয়। বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী ৭-১৬ বছরের অপরাধপ্রবণ ও কিশোর-কিশোরীদের কিশোর অপরাধের শ্রেণিভুক্ত অপরাধপ্রবণ অপরাধীদের অপরিণত বয়স, দুর্বল মানসিকতা, দায়িত্ববোধের অভাব প্রভৃতির পরিপ্রেক্ষিতে কিশোর অপরাধীদের বং বাধের ব্যবহারকে স্বতন্ত্র দৃষ্টিকোণ হতে বিবেচনা করা হয়।

কিশোর অপরাধঃ কিশোর অপরাধের সংজ্ঞা বিভিন্ন বিজ্ঞানীরা বিভিন্নভাবে দিয়েছেন।

অপরাধ বিজ্ঞানী বিসলার এর মতে, ” কিশোর অপরাধ হলো প্রচলিত সামাজিক নিয়ম কানুনের ওপর অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোরদের অবৈধ হস্তক্ষেপ।”

ইউটিউবে ভিডিও লেকচার দেখুনঃ


সমাজবিজ্ঞানী এ বি. জন এর মতে, “কিশোর অপরাধ হলো- নির্দিষ্ট বয়সীমার মধ্যে দেশের প্রচলিত আইনকারী ও সামাজিক নিয়ম লঙ্ঘনকারী, যার চরিত্র সংশোধনের কিংবা পুনর্বাসনের জন্য কোন বিশেষত কর্তৃপক্ষ বা বিচারকের সামনে হাজির কর হয়”।

আরো পড়ুনঃ গ্রামীণ সমাজসেবা কি? বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজসেবা কার্যক্রম গুলোর বর্ণনা দাও।

প্রামাণ্য সংজ্ঞা:

সমাজবিজ্ঞানী বার্ট এর মতে, “কোন শিশুকে তখনই অপরাধী বলে মনে করতে হবে, যখন তার অপরাধ বা অসামাজিক কাজের প্রবণতার জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন হয়ে পড়ে।” 

অপরাধ বিজ্ঞানী সুলম্যান এর সংজ্ঞায়, “অপ্রাপ্ত বয়স্ক জনগোষ্ঠীর উপর পরিবার ও সমাজের নিয়ন্ত্রহীনতাকে কিশোর অপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।” 

সমাজকর্ম অভিধানের সংজ্ঞানুযায়ী, আইন কর্তৃপক্ষের কাছে কিশোর অপরাধ হলো কিশোরদের সমাজ বিরুদ্ধ আচরণ, যা বড়দের দ্বারা সংঘটিত হলে অপরাধ রূপে বিবেচিত হয়। 

google news

সমাজবিজ্ঞানী Giller and gilllir বলেন, “সমাজে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত লোকদের বিশ্বাস মতে যারা ক্ষতিকর কার্যে লিপ্ত সমাজ বিজ্ঞানের কজনুযায়ী তারাই অপরাধী বা কিশোর অপরাধী বলে বিবেচিত।”

জাতিসংঘের ভাষায় “অপ্রাপ্ত বয়স্কদের দ্বারা অসংগতিপূর্ণ এমন আচরণ যা সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত নয় এটাই কিশোর অপরাধ। 

সুতরাং কিশোর অপরাধ হলো অপ্রাপ্ত বয়স্কদের দ্বারা সঘটিত সমাজবিরোধী আইনবিরোধী এবং সামাজিক রীতি-নীতি মূল্যবোধের পরিপন্থি কার্যকলাপ। এজন্য তাদেরকে নির্ধারিত ‘হায় সংশোধনের ব্যবস্থা গৃহীত হয়।

বাংলাদেশের কিশোর অপরাধের কারণঃ কিশোর অপরাধের স্বপ্নাদেশের রকিতে যেমন বহুমুখী ও বিচিত্র তেমনি কারণ উপাদানসমূহ বিচিত্র ও কিশোর অপরাধ সংশ্লিষ্ট কারণ প্রেক্ষিত বিবেচনা করলে দেখা বহুমুখী। অর্থাৎ অপরাধের ধরনের ভিন্ন ভিন্ন সামাজিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে কিশোর অপরাধ প্রবণতার প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ কতিপয় কারণ নিয়েঃ

আরো পড়ুনঃ সমাজকর্মের মৌলিক পদ্ধতি কি?

১. ভৌগোলিক ও আবহাওয়াজনিত কারণঃ বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও ঋতুচক্রের সঙ্গে অপরাধ প্রবণতা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত অক্টোবর-নভেম্বর গ্রামীণ এলাকায় ধান ও সুপারী ফসলের আগমনের সঙ্গে গ্রামীণ কিশোরদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। অবশ্য বর্ষাকালে যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে শিশু-কিশোরিরা বের হতে পারে না বলে মা-বাবার নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে কিশোর অপরাধ তুলনামূলকভাবে কম হয়। চরাঞ্চল ও পাহাড়িয়া এলাকায় যাতায়াত এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার অসুবিধার ফলে দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সহজে পৌছাতে পারে না। এসব এলাকায় অপরাধের সঙ্গে কিশোর অপরাদের হারও বেশি। চন্দ্রকলা পরিবর্তনের সাথে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। যেমন অন্ধকারে বেশি চুরি হয়। আবার কিশোর অপরাধ সাধারণত গ্রামের তুলনায় শহরে বেশি হয়। 

২. ত্রুটিপূর্ণ দৈহিক ও জৈবিক বিকাশঃ ত্রুটিপূর্ণ দৈহিক গঠন, দৈহিক অভ্যন্তরীণ অনালী গ্রন্থসমূহের ত্রুটি স্নায়ুতন্ত্রের অবসাদগ্রস্ততা, কৈশোরের কঠিন ব্যাধি প্রভৃতি কিশোরদের মাঝে দেখা দেয়। এছাড়া সমবয়সী সঙ্গীদের অপেক্ষা খাটো-লম্বা, খোড়া কিংবা অন্যান্য শারীরিক খুতসম্পন্ন হয় তবে তার মধ্যে অপরাধমূলক আচরণের সৃষ্টি হতে পারে।

৩. ত্রুটিপূর্ণ মানসিক বিকাশঃ শিশু ত্রুটিপূর্ণ লালন-পালন, শিশু মনের অতৃপ্ত চাহিদা, শিশু বঞ্চনা প্রভৃতি শিশুদের কিশোর অপরাধী করে তুলতে পারে। মূলত পিতা-মাতা কর্তৃক স্নেহ ভালবাসার অভাব।

৪. দারিদ্র্যঃ বাংলাদেশের কিশোর অপরাধের অন্যতম কারণ হলো দরিদ্র পরিবারের কিশোরদের চাহিদা যথাযথকভাবে পূরণ না হওয়ায় তাদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা সৃষ্টি হয়। ৫. সামাজিক পরিবর্তন: পরিবর্তিত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অবস্থা শিশু-কিশোররা সঠিক ভূমিকা নির্ধারণে ব্যর্থ হয়ে অপরাধ সৃষ্টির সহায়ক।

৬. গৃহ সমস্যা ও বস্তির প্রভাবঃ বাংলাদেশে গৃহায়ন সমস্যা অত্যন্ত প্রকট। গ্রহায়ন সমস্যার কারণে পারিবারিক গোপনীয়তা রক্ষা করা যায় না। যা সুষ্ঠু সামাজিকীকরণের অন্যতম প্রতিবন্ধক। এতে শিশু-কিশোররা অপরাধপ্রবণ হয়ে ওঠে। তাছাড়া বস্তি এলাকায় বসবাসরত শিশু কিশোরদের মাঝে অপরাধপ্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যায়। কেননা তারা ছোটবেলা থেকেই তাদের চারপাশে নানা ধরনের অসামাজিক অবৈধ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ করতে করতে এক সময় নিজেরাই অপরাদের সাথে জড়িয়ে পড়ে। দাম্পত্য কলহ, পাৰিবারিক বিশৃঙ্খলা, অনুপযুক্ত মাতৃত্ব ও পিতৃত্ব পিতা মান্ডাররা অলম শাসনের ইত্যাদির প্রভাবে শিশু-কিশোররা ত্রুটিপূর্ণ সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি ও আচার আচরণ নিয়ে গড়ে ওঠে, যা পরিণামে শিশু-কিশোরদের অপরাধপ্রবণ হতে বিশেষভাবে সহায়তা করে।

আরো পড়ুনঃ কল্যাণ রাষ্ট্র কি? কল্যাণ রাষ্ট্রের কার্যাবলী আলোচনা কর।

৮. শিল্পায়ন ও শহরায়নঃ শিল্পায়ন ও শহরায়নের ফলে সনাতন গ্রামীণ সমাজ ব্যবস্থায় পরিবর্তন সূচিত হয়। এতে শিশু কিশোররা পারিবারিক নিয়ন্ত্রণমুক্ত হয়ে অপরাধমূলক আচরণের প্রতি ঝুঁকে পড়ে।

১৯. পরিবারে শিশুর স্থানঃ পরিবারে একমাত্র সন্তান বা প্রথম সন্তান বা সবচেয়ে ছোট সন্তানের প্রতি সবার আদর-যত্ন বেশি হয়। সন্তানের প্রতি পিতা-মাতা ও অন্যান্যদের দৃষ্টিভঙ্গি শিশু কিশোরদের অপরাধ প্রবণ হতে বিশেষভাবে সহায়তা করে। কারণ এতে শিশুর সামাজিকীকরণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় না।

১০. প্রাকৃতিক দুর্যোগঃ বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হয়ে অসংখ্য শিশু পরিত্যক্ত এবং এতিমে পরিণত হয়। এসব ভাসমান শিশু কিশোররা সাধারণত পারিবারিক পরিবেশের বাইরে বড় হয়ে ওঠে। জীবনের ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত এসব ছিন্নমূল শিশু কিশোরদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতার হার অত্যধিক।

১১. চিত্তবিনোদনের অভাব ও সাংস্কৃতিক অনুপ্রবেশ: শিশু কিশোরদের সুস্থ বিকাশের সহায়ক পর্যাপ্ত ও নির্মল বিনোদনের অভাব অত্যন্ত প্রকট। এছাড়া সাংস্কৃতিক অনুপ্রবেশ স্যাটেলাইট টিভির প্রচারিত বিদেশি কুরুচিপূর্ণ বিনোদনের প্রভাব বাংলাদেশের শিশু কিশোরদের অপরাধ প্রবণ হতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

১২, পিতামাতার ঘন ঘন কর্মস্থল পরিবর্তনঃ পিতামাতার ঘন ঘন কর্মস্থল পরিবর্তনের ফলে শিশু কিশোররা বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক পরিবেশের সাথে পরিচিত হয়। স্বল্প সময়ের মধ্যে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনধারা অনুসরণ করা শিশুদের পক্ষে সম্ভব হয় না। ফলে তাদের ব্যক্তিত্ব অসম্পূর্ণভাবে গড়ে ওঠে। পরিনামে এটি শিশু কিশোরদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতার জন্ম দেয়।

১৩. কারাগারের প্রভাব: বাংলাদেশে কিশোর অপরাধীদের বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সাধারণ অপরাধীদের মত কারাগারে রাখা। হয়। কারাগারে বয়স্ক এবং দাগী অপরাধীদের সংস্পর্শে এসে শিশু কিশোররা আরও বেশি অপরাধপ্রবণ হয়ে ওঠে। 

১৪. অনুকরণীয় সামাজিক মূল্যবোধের অভাবঃ বাংলাদেশের মূল্যবোধের অবক্ষয়, ত্রুটিপূর্ণ সামাজিকরণ, বন্ধন লোপ, দূর্নীতি, অনাচার প্রভৃতির কারণে অনুকরণীয় সামাজিক মূল্যবোধ ও আদর্শ গড়ে উঠেনি। যার প্রভাবে কিশোর অপরাধ প্রবণতা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

১৫. জনসংখ্যা বৃদ্ধিঃ প্রতিবছর বাংলাদেশে যে বিপুল সংখ্যক নতুন জনসংখ্যা সংযোজিত হচ্ছে, সে তুলনায় মৌল মানবিক চাহিদা পূরণের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে শিশু কিশোররা ন্যূনতম জীবনমান অর্জনের সুযোগ হতে বঞ্চিত হয়ে অপরাধপ্রবণ হয়ে উঠছে।

১৬. রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট কিশোর অপরাধ বৃদ্ধির এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসা কাজ করছে। অসৎ রাজনৈতিক উমেশ্য চরিতার্থকর দিয়ে বোমা তৈরি বহন ও বোমাবাজি করানো হয়। এল অভিজ্ঞতায় তারা, একসময় ছিনতাই, চাদাঁবাজি, লুটপাট, মাদক ব্যবসা, ভাড়াটে খুনী ইত্যাদিতে সংশ্লিষ্ট হয়।

১৭. অপরাধপ্রবণ এলাকাঃ নিম্নমানের গ্রহায়ন ও বস্তি এলাকা, হোটেল নৈশক্লাব, মাদকদ্রব্যের দোকান, পতিতালয় প্রভৃতি জনবলে এলাকা অপরাধ প্রবণতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এসব এলাকার সংস্পর্শে থাকলে কিশোর অপরাধপ্রবণ হয়ে ওঠে।

১৮. সঙ্গীদের প্রভাবঃ কিশোর অপরাধের অন্যতম প্রভাবয় হচ্ছে সঙ্গী ও দলের প্রভাব। পাড়া, প্রতিবেশী, খেলার সাথী ইত্যাদি পর্যায়ের কিশোর কিশোরীরা অপরাধপ্রবণ হয়ে ওঠে।

১৯. কুরুচিপূর্ণ ক্ষতিকর চলচিত্র ও প্রকাশনাঃ বিকৃত কর্তিসম্প্র যৌন আবেগে ভরপুর ম্যাগাজিন ও পত্রিকা কিশোর-কিশোরীদের মন মানসিকতার ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। যৌন রসে সিন্ড সিনেমা বিজ্ঞাপন চিত্র, টেলিভিশন প্রদর্শিত যৌন আবেদন ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালা কল্পনা বিলাসী এবং আবেগপ্রবণ কিশোরদের বিপদগামী করে তুলতে প্রভাবক হিসেবে ভূমিকা পালন করে। 

২০. জিন তত্ত্ববিদদের ধারণাঃ মানুষের দৈহিক ও মানসিক গুণাবলি জীবন প্রভাবে বংশপরম্পরায় বর্তায়। সাধারণত দেখা যায় যে, কোনো পরিবারের পিতা-মাতা বা উভয়ই যদি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত হয় তবে ঐ পরিবারের কিশোর সন্তানদের মাঝেও এ ধরনের অপরাধ প্রবণতা গড়ে ওঠে। 

২১. প্রশাসনিক কারণ: কিশোর অপরাধীদের সুষ্ঠু বিচারের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানের অপ্রতুলতা ও এগুলোর অব্যবস্থাপনা, সংশোধনের উপযুক্ত পরিবেশের অভাব কিশোর কিশোরীদের অপরাধ প্রবণ হয়ে ওঠার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

আরো পড়ুনঃ মাদকাসক্তি কি? এ সমস্যার সমাধানে একজন সমাজকর্মীর ভূমিকা আলোচনা কর।

উপসংহার: পরিশেষে বলা যায় যে, বাংলাদেশের রাজনীতি, সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়, মৌল মানবিক চাহিদা পুরুণের ব্যর্থ এবং সামাজিক মূল্যবোধ এবং ধর্মীয় অনুশাসনের অভাবেই কিশোর অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

Shihabur Rahman
Shihabur Rahman
Hey, This is Shihabur Rahaman, B.A (Hons) & M.A in English from National University.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

ফেসবুক পেইজ

কোর্স টপিক